শিরোনাম

করোনায় মৃত্যু বেড়ে ১০৪৯, আক্রান্ত ৭৮ হাজার ৫২

মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম: স্টাফ করেসপন্ডেন্ট:

বিশ্বে যখন মৃত্যু মিছিল তখন করোনায় বাংলাদেশেও দিনকে দিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৭ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। ফলে ভাইরাসটিতে মোট ১০৪৯ জন মারা গেলেন। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরো ৩ হাজার ১৮৭ জন। ফলে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৮ হাজার ৫২ জন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ৫৫টি ল্যাবে করোনা ভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১৬ হাজার ১১৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ১৫ হাজার ৭৭২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো চার লাখ ৫৭ হাজার ৩৩২টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ১৮৭ জনের শরীরে। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৭৮ হাজার ৫২ জনে।

এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৮৪৮ জন। ফলে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন মোট ১৬ হাজার ৭৪৭ জন।

তিনি সবাইকে স্বাস্থ্য পরামর্শ মেনে ঘরে থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি পুষ্টিকর খাবার গ্রহণেরও পরামর্শ দেন। একই সাথে যারা করোনার এই মহামারিতে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের ধন্যবাদ দেন নাসিমা।

এর আগে মঙ্গলবারের বুলেটিনে জানানো হয়, দেশে চব্বিশ ঘণ্টায় আরো ৩ হাজার ১৯০ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭৪ হাজার ৮৬৫ জন। এ সময়ের মধ্যে মারা গেছেন আরো ৩৭ জন। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১০১২।

প্রসঙ্গত, চীনের উহান থেকে বিস্তার শুরু করে গত চার মাসে বিশ্বের ২১৫টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে। এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৪ লাখ ৭১ হাজার ৯২ জন। মারা গেছেন ৪ লাখ ১৯ হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে ৩৭ লাখ ৮৮ হাজারেরও বেশি রোগী ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।


Print pagePDF pageEmail page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

See In Your Language