Templates by BIGtheme NET
শিরোনাম

কৌশলে পরের জায়গা দখল বিবাহ বহির্ভূত ঘর সংসার কিছুই পরোয়া করে না সুমন বর্মণ

মোঃ আলী (বান্দরবান): বিশেষ প্রতিনিধি:
বৈতরণী’র মালিকাধীন মৎস্য প্রজেক্ট বর্গা চাষা সুমন বর্মণ কর্তৃক অবৈধ মালিকানা দাবী’র অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুমন বর্মণ একজন হিন্দু ধর্মের অনুসারী, সে একজন মুসলিম মেয়ের সাথে দীর্ঘদিন যাবত একই ঘরে বসবাস করে আসছে। যা ধর্ম ও সমাজ বিরোধী। লালুটিয়া রেঞ্জের আওতাধীন বৈতরণী বিটের সংরক্ষিত এলাকার কুমার পাড়া, দিশারীখোলা, পুরানগড় ইউনিয়ন, সাতকানিয়া থানার বৈতরণী মৌজার আর.এস ৮৮/১নং খতিয়ানের আর.এস (৫৫৭/২৮৬) দাগের তৎ বি.এস খতিয়ানের দাগের আন্দর এর প্রায় ০৫ কানি বা ২০০ শতক জমির উপর মৎস্য প্রজেক্টটির প্রকৃত মালিক চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার পুরানগড় এলাকার বাসিন্দা মরহুম মোজাফ্ফর আহামদ এর পুত্র মোঃ আজাদ মিয়া, মোঃ সোহান, মোঃ সেলিম উদ্দীন, তসলিম উদ্দীন, মোঃ মহি উদ্দীন, মনসুর আলম, (বর্তমান ঠিকানা-সুলতান পুর, ৩১৪নং সুয়ালক মৌজা, বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা)। মালিক পক্ষের মোঃ সোহান ও তার ভাইগন প্রতিবেদককে জানান, তাহাদের মালিকাধীন মৎস্য প্রজেক্টটি বর্গা চাষা সুমন বর্মণ বিগত চার/পাঁচ বছর ধরে দেখাশোনা করে আসছে। আমাদের সহায় সম্পত্তির উপর লোলুপ দৃষ্টি প্রদান পূর্বক আমাদের সাথে শত্রæতা মনোভাব নিয়ে এলাকার কিছু সুবিধা ভোগি/অসাধু লোকের যোগসাজসে বিগত কয়েক মাস যাবত বর্গা চাষা চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার পুরানগড় এলাকার বাসিন্দা নিবারণ বর্মণ এর পুত্র সুমন বর্মণ। সে মৎস্য প্রজেক্টটির মালিকানা দাবি করে আসছে। মৎস্য প্রজেক্টটির অন্যতম প্রকৃত মালিক মোঃ সেহান আরো জানান, সুমন বর্মণ নিজে ও অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন লোক লোভের বশবর্তী হইয়া আমাদের ক্রয়কৃত জমি ও মাছের প্রজেক্ট, খামার বাড়ী ও বাগান জবর দখলের চেষ্টা চালায়। আমার ও আমার ভাইদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকাতে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে এবং আমাকেও আমার অন্য ভাইবোনদের মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ঘটনার সত্য-মিথ্যা যাচাই করার জন্য প্রতিবেদক ১৪নং পুরাগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ.ফ.ম মাহাবুবুল হক সিকদার ও ২নং ওয়ার্ড মেম্বার মীর আহাম্মদ, এলাকার সাধারণ জনগনের নিকট ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে উনারা জানান, ২নং ওয়ার্ড এর বৈতরণী এলাকায় জায়গা ও মৎস্য প্রজেক্টটির প্রকৃত মালিক মোঃ সেহান ও তার অন্যান্য ভাইগন। উনারা আরো জানান, তাদের বর্তমান জায়গার পার্শ্বে ০৩ কানির মত জায়গা সাবেক ইউপি সদস্য শ্রী সুধীর চন্দ্র দাশ থেকে মোঃ সেহান ও তার ভাইয়েরা ক্রয় করে। তদন্তে আরো জানা যায়, সুমন বর্মণ নিকট হতে মালিক পক্ষের মোঃ সেহান হাওলাদ বাবদ ৮০ হাজার টাকা পাওনা আছে। মোঃ সেহান আরো জানান, কিছু লোকের কু-পরামর্শে সুমন বর্মণ এলাকার সাধারণ জনগন সহ আমার ও আমার পরিবারের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন (যাহার মামলা নং-সি আর ২৭৪/২০১৮ চট্টগ্রাম) এই ঘটনায় সুমন বর্মণ ও তার সহযোগিরা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধানোর পরিবেশ সৃস্টি করছে। যার ফলে যে কোন সময় এলাকায় নৈরাজ্যকর পরিস্থতি সৃষ্টি হতে পারে, হতাহতের ঘটনা সৃষ্টি হতে পারে। আইন-শৃংখলার অবনতি ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তদন্তক্রমে সুমণ বর্মণ ও তার সহযোগিদের অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধে আইন ও বিচার বিভাগ, প্রশাসন বিভাগ, মানবাধিকার কমিশন, সুশিল সমাজের নাগরিকগণ, উচ্চ পদস্থ নেতৃবৃন্দ, এলাকার জনপ্রতিনিধি ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য সহ সকলের নিকট ন্যায় বিচার পাওয়ার আকুল আবেদন জানান জায়গা ও প্রজেক্টটির প্রকৃত মালিক পক্ষগন।

 


Print pagePDF pageEmail page
Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*