Templates by BIGtheme NET
শিরোনাম
শফিউল আলম প্রধান

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি শফিউল আলম প্রধান আর নেই

বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান আর নেই।

রোববার সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর আসাদগেটের নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুকালে শফিউল আলম প্রধানের বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি স্ত্রী রেহানা প্রধান, মেয়ে ব্যারিস্টার তাহমিয়া প্রধান, ছেলে রাশেদ প্রধানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জাগপার সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার লুৎফর রহমান সাংবাদিকদের জানান, গত দু’দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন শফিউল আলম প্রধান। এর আগে তিনি একাধিকবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

মরহুমের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার জোহরের নামাজের পর আসাদ গেইটে দলের কার্যালয়ের সামনে শফিউল আলম প্রধানের প্রথম নামাজে জানাজা হবে।

বাদ আসর ইকবাল রোড জামে মসজিদে আরেক দফা জানাজার পর মরদেহ রাখা হবে হিমঘরে। সোমবার বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম মসজিদে জানাজার পর বিকালে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে তাকে।

এদিকে, শফিউল আলম প্রধানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

আর মৃত্যুর খবরে তার বাড়িতে জড়ো হচ্ছেন জোটের নেতারা। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত হয়ে মরহুমের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিচ্ছেন।

শফিউল আলম প্রধান ১৯৫০ সালে পঞ্চগড়ে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা তমিজউদ্দিন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের স্পিকার ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগে লেখাপড়া করা শফিউল আলম প্রধান ছাত্রজীবনেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।

তিনি সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তবে ১৯৭৪ সালের এপ্রিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হলে সাতজন ছাত্রকে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করা হয়। সেই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে তিনি ছিটকে পড়েন।

বিচারে শফিউল আলম প্রধানের কারাদণ্ড হয়েছিল। পরে জিয়াউর রহমানের সময়ে তিনি মুক্তি পান এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি গঠন করেন।


Print pagePDF pageEmail page
Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*