Templates by BIGtheme NET
শিরোনাম

মোরা’র আঘাতে বিধ্বস্ত লামার প্রায় ৪ সহাস্রাধিক ঘরবাড়ি নিহত ১

ওছমান গনি ফরহাদ: ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে লামায় তিন সহাস্রাধিক বাড়িঘর লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। গাছ পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ২ জন। আহতরা হলো, লামা সদর ইউনিয়নের কামরুল (১) ও রুপসীপাড়া ইউনিয়নের ক্যসিং থোয়াই মার্মা (৪০)। আহতদের লামা হাসপাতালে নিয়ে আসলে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নৌ-পথে বাহিরে নেয়ার সময় ক্যসিংথোয়াই মার্মা মারা যায়।


এদিকে লামা-চকরিয়া রোডের দু’পাশের গাছ পড়ে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। প্রচুর গাছপালা ভাঙার কারণে অসংখ্য বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে গেছে। লামা গজালিয়া সড়ক ও লামা রূপসীপাড়া সড়কেও একই অবস্থা হওয়ার কারণে উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিভিন্ন ইউনিয়নের। যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে ৫-৮ দিন লাগতে পারে বলে জানায় লামা বিদ্যুৎ অফিস এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগ। প্রচন্ড বাতাসে লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া কাঁচাপাকা বাড়ির লোকজন এখন খোলা আকাশের নিচে। বেশ কয়েক জায়গায় পাহাড় ধস হলেও কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জনসাধারণকে স্ব-উদ্যোগে রাস্তায় উপর ভেঙে পড়া গাছপালা অপসারণ করতে দেখা যায়।

সমগ্র উপজেলায় ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে দমকা বাতাসে উপড়ে পড়েছে লাখ লাখ গাছপালা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, রূপসীপাড়া, গজালিয়া, সদর, ফাঁসিয়াখালী, ফাইতং ও সরই ইউনিয়নে প্রচুর পরিমাণ কাঁচা ঘরবাড়ি পড়ে যাওয়ায় সাধারণ দরিদ্র মানুষ খোলা আকাশের নিচে আছে। মেম্বার চেয়ারম্যানরা স্থানীয়দের সহযোগীতায় গাছপালা সরিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিন ওয়ান নু বলেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় শুকনা খাবার, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হবে। ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা স্ব-স্ব এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা তৈরি করছে।


Print pagePDF pageEmail page
Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*