Templates by BIGtheme NET
শিরোনাম

জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক আমরা বের করেছি,আমরা তাদের আত্মসমর্পণ করিয়েছি

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেছেন, দেশে একটি বিশেষ মহল পুলিশের কাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। তারা চায় সরকারের পতন হোক, দেশে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি হোক।

তিনি বলেন, জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক আমরা বের করেছি। ২৭টি অভিযান করেছি। আমাদের সফলতা আছে।

শনিবার দুপুরে চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে আইজিপি এসব কথা বলেন।

আইজিপি একেএম শহীদুল হক বলেন, আমরা জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করার জন্য বারবার অনুরোধ করেছি। পৃথিবীর কোথাও জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করতে অনুরোধ করা হয় না। কিন্তু আমরা তাদের বুঝিয়ে আত্মসমর্পণ করিয়েছি। অথচ একটি বিশেষ মহল এ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

পুলিশ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, কে কোন দলের কোন গোষ্ঠীর তা না দেখে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছি।

বিএনপি-জামায়াতকে ইঙ্গিত করে আইজিপি বলেন, ২০১৩ সালে পুলিশকে টার্গেট করে ১৬ জন পুলিশ হত্যা করেছে। তাদের উদ্দেশ্যে ছিল পুলিশের মাঝে ভীতি সঞ্চার করা। তারা জয়ী হবে, সরকারের পতন হবে। আমরা তা হতে দেইনি। এই পুলিশ হেফাজতের তাণ্ডব, ২০১৩ সালে পেট্রল সন্ত্রাস মোকাবেলা করেছে। ভবিষ্যতে আমরা জনগণকে নিয়ে সন্ত্রাস মোকাবেলা করব।

এ সময় সব ধরনের অরাজকতা দূর করতে জনগণকে পুলিশের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

শহীদুল হক বলেন, জনগণ পুলিশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখলে দালাল-টাউটরা সুবিধা নিতে পারবে না। মানুষের সঙ্গে পুলিশের কাজের দূরত্ব থাকলে ঠিকভাবে কাজ করা যাবে না। জনগণ ও পুলিশের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি করতেই কমিউনিটি পুলিশিং গঠন করা হয়েছে। পুলিশের প্রতি আস্থার পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যম হিসেবে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তিনি বলেন, আমরা শেখ হাসিনার পাগল, তাই দেশের উন্নয়নের কথা যেখানে যাই সেখানেই বলি। আর খালেদা জিয়া রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দিতে গিয়ে নিজের গাড়ি নিজে ভাঙে। সাংবাদিকদের পেটায়। আর বলে শেখ হাসিনার কর্মীরা এসব কাজ করছে। তিনি রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দিতে গিয়ে সাত দিন মানুষের সঙ্গে সেবার নামে তামাশা করেছেন। শেখ হাসিনার নির্দেশে ও পরামর্শে রোহিঙ্গাদের কোনো সমস্যা সেখানে হচ্ছে না। কোনো রোহিঙ্গা সেখানে না খেয়ে কিংবা বিনা চিকিৎসায় মারা যায়নি।

এ সময় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন চট্টগাম রেঞ্জের ডিআইজি ড. এসএম মনিরুজ্জামান, ডিআইজি (প্রশাসন ) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, চাঁদপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ ওসমান গনি পাটওয়ারী, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এম এ ওয়াদুদ, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী প্রমুখ।


Print pagePDF pageEmail page
Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*