Templates by BIGtheme NET
শিরোনাম

বান্দরবান কোচিং সেন্টার বাণিজ্যে এগিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বেতনভূক্ত শিক্ষকরাই

শহীদুল ইসলাম: বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:

বান্দরবান কোচিং সেন্টার বাণিজ্যে এগিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বেতনভূক্ত শিক্ষকরাই। পেছনে  রয়েছে উচ্চ শিক্ষিত বেকার যুবকরাই। এই বেকার যুবকরা হয়তো অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে এখন বিসিএস ট্রাই অথবা সরকারী চাকুরী কিংবা এনজিওতে এপ্লাই নিয়ে ব্যস্ত। খোজ নিয়ে জানা যায়, কয়েক জন বেকার যুবকরাই এখন আর প্রাইভেট টিউশনি পাচ্ছে না। কেননা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোন পরিচিতি নাই। তাদের নিকট হয়তো কেউ টিউশনি পড়তে আগ্রহী নন। কেননা তাদের হয়তো পরীক্ষার খাতায় নম্বর দেওয়ার ক্ষমতা নাই। তাই ভাল নম্বর পেতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষকদের নিকট পড়তে বাধ্য।

মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে সারা দেশে কোচিং সেন্টার গুলোর উপর নজরদারি যেখানে কঠোর অবস্থানে। তেমনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বাবু বীর বাহাদুর উশৈসিং মহোদয় বিগত বছরে জেলা আইন ‍শৃঙ্খলা সভায় কোচিং সেন্টার গুলোর উপরে বিশেষ নজরদারী রাখার জন্য জেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। বছর পেরুতে না পেরুতেই আবার ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে বান্দরবানে কোচিং সেন্টার গুলো।

সরেজমিনে জানা যায়, শিক্ষক পড়ান মাত্র ২৫-৩০ মিনিট, ঘন্টায় ২ ব্যাচ, ৬-৮ ঘন্টায় অনেক ব্যাচ। প্রতি ব্যাচে ৩০-৪০ জন, জনপ্রতি ৭০০ টাকা, সপ্তাহে ৩দিন, মাসে আবার ১২ দিন এ কোন নিয়ম।যত ব্যাচ তত টাকা, যত ছাত্র তত টাকাই আর টাকা।

প্রতিজন শিক্ষকের প্রাইভেট পড়িয়ে মাসিক দেড় থেকে দুই লক্ষ আয় হয়। প্রাতিষ্ঠানিক বেতন ৪০ হাজার টাকা আছেই। বেকার যুবকরা বেকারই থাকছে।

এভাবে চলছে বান্দরবানের পড়ালেখা, তাই বিগত কয়েক বছর ধরে জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষায় ফলাফল খারাপ। ক্লাসে ভালভাবে না পড়িয়ে কোচিং সেন্টার ভাল পড়াতে আগ্রহী হন এসব প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষক মহোদয়গণ।

সংবাদ সংগ্রহের সুবিধার্থে  ছবি তুলতে গেলে কয়েকজন ছাত্ররাই এর প্রতিবাদ করে। তাই অনলাইন/গুগল থেকে ছবি সংগ্রহ করে সংবাদ প্রচার করতে বাধ্য হয় সংবাদকর্মী ।

 


Print pagePDF pageEmail page
Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*