শিরোনাম

বান্দরবানে যক্ষা রোগ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা

সাইফূুল ইসলাম:

বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষা নিরোধ সমিতি(নাটাব) এর উদ্যোগে যক্ষা রোগ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলার লক্ষ্যে বান্দরবানের জেলার বিভিন্ন শ্রেণীর পেশা জীবিদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। মত বিননিময় সভাটি ৯জুন বুধবার সকাল ১০টায় বান্দরবান চিম্বুক রোডস্থ নাফাকুম রেস্তোরার হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডাঃ অংসুই প্রæ মারমা, প্রধান আলোচক ছিলেন ডাঃ মোঃ আলমগীর, মেডিকেল অফিসার বান্দরবান সদর হাসপাতাল,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সিং ইয়ং ম্রো, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আরো উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপ্তি কণা দে,বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বিশেষ প্রতিনিধি ও কবি ও লেখক নীলিমা আক্তার নীলা, বান্দরবানের ফুটবল রেফারি দীলিপ কুমার দে, (নাটাব) চট্টগ্রাম প্রতিনিধি মো: হেলাল খন্দকার। সভায় সঞ্চালনায় ও পরিচালনায় ছিলেন মানবাধিকার কমিশনের সহ সভাপতি ও নাটাব এর সাধারণ সম্পাদক এপেক্সিয়ান মোমেন চৌধুরী। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি বলেন, দেশের সকল উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে,নগরস্বাস্থ্যকেন্দ্র বক্ষব্যাধি ক্লিনিক,সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং নিদির্ষ্ট এনজিও ক্লিনিকে যক্ষা চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে। তিন সপ্তাহের বেশি কাশি,শরীরের ওজন ও ক্ষুধা কমে যাওয়া,বুকে ব্যাথা ও স্বাস কষ্ট হওয়া,সন্ধ্যায় বা রাতে জ্বর আসা যক্ষার প্রধান লক্ষণ। বক্তারা আরো বলেন,যক্ষা রোগের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে এটি একটি সংক্রমণজনিত রোগ তিন সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলে কফ পরীক্ষা করা দরকার,কফ পরীক্ষায় রোগ শনাক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হবে। যক্ষা রোগীর হাঁচি,কাশি দেওয়ার সময় রুমাল ব্যবহার করতে হবে। পরিবারের কোন সদস্য যক্ষায় আক্রান্ত হলে সেই পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও শিশুদের যক্ষা পরীক্ষার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। নিয়মিতি ক্রমাগত সঠিক মাত্রায় ও নিদির্ষ্ট সময় পর্যন্ত ঔষুধ সেবনের মাধ্যমে যক্ষা সম্পূর্ণ ভাল হয়। বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষা নিরোধ সমিতি(নাটাব) এর মুল বক্তব্য হলো পূর্ণ চিকিৎসায় যক্ষা ভাল হয়। ডট্স কার্যক্রমকে সফল করার লক্ষ্যে নাটাব সুশীল সমাজকে আহবান জানাচ্ছে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য। সবার ব্যাপক অংশগ্রহণই দেশের যক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছে দিতে পারবে। আসুন সচেতন হয় হই,যক্ষা প্রতিরোধ করি যক্ষা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ি।


Print pagePDF pageEmail page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

See In Your Language